"ফরয নামাযের পর দুয়া" পুস্তক পরিচিতি
????পুস্তকের নাম:- ফরয নামাযের পর দোয়া ও হাত তুলে প্রার্থনার প্রমাণ।
☀️লেখক:- প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার মুফতি আমজাদ হুসাইন সিমনানী।
সম্মানিত মুসলিম সমাজ! বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের আহলে হাদিস নামে খ্যাত আলিমগণের মুখ থেকে শোনা যায় যে, ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মোনাজাত করা বিদাত। এই কাজটি করলে নাকি কোনো প্রকার নেকী পাওয়া যাবে না। তাছাড়া হাত তুলে দোয়া ও মোনাজাত সংক্রান্ত তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানান রকম মন্তব্য পাওয়া যায়।
তাদের কথার পরিপ্রেক্ষিতে বহু মানুষ নিজের দোয়া থেকে উদাসীন এবং ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মোনাজাতকে মানুষ ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ বলে আখ্যায়িত করেছে।
সম্মানিত মুসলিম সমাজ! সম্মিলিত মোনাজাত অথবা ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মোনাজাত ও হাত তুলে দোয়া সংক্রান্ত আহলে হাদিস আলিমগণের সকল মন্তব্য সমূহ ও ভুল ব্যাখ্যার দলিল ভিত্তিক উত্তর ও সমাধান দেওয়ার জন্য এবং সাধারণ মানুষদেরকে তাদের বিভ্রান্তির বেড়াজাল হতে পরিত্রান দেওয়ার নিমিত্তে পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা ইসলামি স্কলার হযরত আল্লামা মুফতি আমজাদ হুসাইন সিমনানী সাহেব উক্ত পুস্তকেটি লিপিবদ্ধ করেন। পুস্তকের মধ্যে প্রথমত দোয়ার গুরুত্ব ও তার ফজিলত সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে। অতঃপর কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে হাত তুলে দোয়া প্রমাণ করা হয়েছে। শেষে ফরয নামাযের পর সম্মিলিত মোনাজাত এবং বিভিন্ন স্থানে হাত তুলে দোয়া সংক্রান্ত অসংখ্য সহীহ হাদীস পেশ করা হয়েছে। আমি আশা করি, বুদ্ধি ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে পাঠ করলে আপনি একথা বলতে বাধ্য যে, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে দোয়া ও সম্মিলিত মোনাজাতের অনেক বেশি গুরুত্ব রয়েছে। বইটি পাঠ করলে একথা দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত হয় যে, ফরয নামাযের পর হাত তুলে দোয়া করতে কোনো রকম বাধা প্রদান করা ইসলাম বহির্ভূত কার্যকলাপের অন্তর্ভুক্ত। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে বলব প্রস্তাবটি অবশ্যই আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে অধ্যয়ন করুন এবং সমাজের শিক্ষিত ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের কাছে বইটি অধ্যয়ন করার সুযোগ করে দিন।
দোয়া প্রার্থী
মাওলানা রওশান আলী ওলা
কুশমন্ডি, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত☀️
Comments -