KeyOfIslam
Welcome To KeyOfIslam.com. KeyOfIslam is the platform to spread love and brotherhood among all people through the light of Prophet Mohammad(peace be upon him), the Final Messanger of Allah. Here you will get informations with precision.
Individual Articles
যঈফ হাদীস ও তার বিধান
যঈফ হাদীস ও তার বিধান *মাওলানা হিশামুদ্দিন মিসবাহী, মুর্শিদাবাদ যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস কি বা কাহাকে বলে?দূর্বল হাদীস কখনো গ্রহণযোগ্য হবে কি না?…এসব জানার পূর্ব আমাদের কে জানা উচিত যে হাদীস কাকে বলে…? অধিকাংশ মুহাদ্দিসীনের পরিভাষায় , নবীয়ে কারীম ﷺ এর বাণী , কর্ম ,সমর্থন ও অনুমোদন কে হাদীস বলা হয় । (সমর্থন হল কোন ব্যক্তি (সাহাবী) নবীয়ে কারীম ﷺ -এর উপস্থিতিতে কোন কাজ করছিলেন অথবা কোন কথা বলেছিলেন , কিন্তু তিনি সেটিকে অস্বিকার করেননি বরং তিনি নিশ্চুপ ছিলেন এবং সম্মতি জ্ঞাপন করেছিলেন ) সূত্রের মান গত দিক দিয়ে মূলত হাদীস তিন প্রকার : ১) সহীহ , ২) হাসান , ৩) যঈফ অথবা দূর্বল সহীহ হাদীস : ইহা আবার দুই প্রকারের , i) সহীহ লি-যাতিহি ও অপরটি ii) সহীহ লি-গায়রিহী সহীহ লি-যাতিহি :* যে হাদীস মুত্তাসিল সনদ তথা অবিচ্ছিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়, প্রত্যেক রাবী বা বর্ণনাকারী আদিল (মুত্তাকী ও পরহেজগার) ও তাম্মুয্যবত (পূর্ণ আয়ত্বশক্তির ) অধিকারী হয়, এবং সূত্রটি শায কিংবা মুআল্লাল না হয়; এমন হাদীস কে সহীহ লি-যাতিহি বলা হয় । সহীহ লি-গায়রিহী :* আর যদি তার মধ্যে কোনোরূপ দোষ বা ত্রুটি থাকে এবং তা বহূ সূত্রে বর্ণিত হাওয়ার কারণে সেই দোষ-ত্রুটির ক্ষতিপূরণ হয়ে যায় তবে এই হাদীস কে সহীহ লি-গায়রিহী বলা হয় ॥ দ্বিতীয় অর্থে হাসান হাদীসের মধ্যে যেই দূর্বলতা থাকে তা যদি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হওয়ার কারণে সেই দূূর্বলতা দূর হয়ে যায় তখন সেই হাদীসটি কে সহীহ লি-গায়রিহী বলা হয়। হাসান হাদীস : ইহাও আবার দুই প্রকারের , i) হাসান লি-যাতিহী , ও ii) হাসান লি গাইরিহী হাসান লি-যাতিহী :* হাদীস সহীহ রূপে গণ্য করার জন্যে যতগুলি শর্তাবলি রয়েছে সবগুলিই বিদ্যমান থাকবে, তবে বর্ণনাকারীদের মধ্যে করো স্বরণ শক্তির মধ্যে যদি কিছুটা দুর্বলতা প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে হাসান হাদিস বলে। হাসান লি গাইরিহী :* দূর্বল হাদীস যদি একাধিক সনদে অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয় এবং তার দূর্বলতা দূরীভূত হয়ে যায় তখন সেই হাদীসটি কে হাসান লি গাইরিহী বলা হয় । যঈফ অথবা দূর্বল :* সহীহ অথবা হাসান হাদীসের জন্য যেসব শর্তসমূহের প্রয়োজন সেগুলির মধ্যে কিছু বা প্রত্যেকটি শর্ত না পাওয়া যায় সেসব হাদীস কে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস বলা হয় । যেমন : হাদীস বিচ্ছিন্নতার সূত্রে বর্ণিত হওয়া , সেই সূত্রের কোনো বর্ণনাকারী আদিল অর্থাৎ ন্যায় পরায়নকারী না হওয়া , কোনো বর্ণনাকারী স্মৃতিশক্তির দিক দিয়ে দুর্বল হওয়া অথবা স্মৃতিশক্তিহীন হয়ে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি ॥(মোকদ্দমায়ে মিশকাত) ভূমিকা স্বরূপ এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও পর্যালোচনা করার পর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায় যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস কি একইবারেই অগ্রহণযোগ্য ও পরিত্যাজ্য…? তার কি কোন অস্তিত্ব ও জায়গা নেই এই শরীয়তের মধ্যে…? সেটি কি সদা সর্বদা বর্জনীয়…? কেননা বর্তমান সময়ে এক শ্রেনীর মানুষ দূর্বল হাদীস কে পরিত্যাজ্যের ও পরিহারের পুকুরে ছুড়ে ফেলে তারা নিজের অজ্ঞতার পরিচয় দিচ্ছে এবং সমগ্র মুহাদ্দিসীন দের অভিমত কে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করিয়া যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস কে ভিত্তিহীন, ও জাল হাদীস বলে আখ্যায়িত করে সমাজে বিভ্রান্তিমূলক ফতোয়া প্রদান করছে। ফলে কলুষিত হচ্ছে মুসলমান সমাজের ঈমান ও আকীদা , ভ্রষ্টতার পুকুরে হাবুডুবু খাচ্ছে যুবক সম্প্রদায় । তাই আমি এই অধম এ বিষয়ের প্রতি দুই কলম লেখার প্রয়াস করেছি আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সকলকে বোঝার ও তার প্রতি আমল করার তৌফিক প্রদান করুন। যঈফ অথবা দূর্বল হাদীসের হুকুম :* সমস্ত মুহাদ্দিসীন এ বিষয়ের প্রতি ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে কোনো হুকুম ও আহকাম (যেমন : বৈধ , অবৈধ , বিবাহ্ , তালাক বা কেনা-বেচা সম্পর্কিত কোনো হুকুম বা আহকাম) প্রদান করার ক্ষেত্রে সহীহ হাদীস অথবা কমপক্ষে হাসান হাদীসের প্রয়োজন ও আবশ্যক। এবং সমগ্র মুহাদ্দিসীন অধিকাংশ মুফাসসিরীন , মুজতাহিদীন ও উলামায়ে উসুলে দ্বীনও এ বিষয়ের প্রতি ঐক্যমত ও সমমতাবলম্বী রয়েছেন যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস মর্যাদায় , উৎসাহে ও অনুৎসাহে গ্রহণযোগ্য , যার প্রমাণাদি তাঁদেরই রচিত গ্রন্থ সমূহের মধ্যে পাওয়া যায় ॥ প্রথম অভিমত :* জগৎ বিখ্যাত হাদীস ব্যাখা কারী ইমাম ইয়াহইয়া বিন শারাফ নববীর রচিত আল-আরবাঈন গ্রন্থের মধ্যে হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই অভিমত পোষণ করেন যে , وَقَدِ اتَّفَقَ العُلَمَاءُ عَلَى جَوَازِ العَمَلِ بِالحَدِيثِ الضَّعِيفِ فِي فَضَائِلِ الأَعْمَالِ অর্থ : ওলামায়ে কিরাম এই বিষয়ে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেছেন দুর্বল হাদিস ফাযায়েলে আমলের জন্য গ্রহণযোগ্য ॥ (আল-আরবাঈন , পৃষ্ঠা নং- 14 ,আল-মাকতাবাতুল মদীনা) দ্বিতীয় অভিমত : তিনিই তাঁর লিখিত প্রসিদ্ধ গ্রন্থ আল-আযকারেও নিম্নোক্ত অভিমত টিকে প্রাধান্য দিয়ে বলেন قال العلماء من المحدثين والفقهاء وغيرهم: يجوز ويستحب العمل في الفضائل والترغيب والترهيب بالحديث الضعيف ما لم يكن موضوعا وأما الأحكام كالحلال والحرام والبيع والنكاح والطلاق وغير ذلك فلا يعمل فيها إلا بالحديث الصحيح أو الحسن অর্থ : মুহাদ্দিসীন ও ফুক্বাহায়ে কেরাম এবং অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, ফাযায়েল বা মর্যাদা সাপেক্ষে, উৎসাহিত করা ও অনুৎসাহে (ভয়ভীতি প্রমাণ করতে) দূর্বল বা যঈফ হাদীস গ্রহনযোগ্য ও তার প্রতি আমল করা মুস্তাহাব, যদি তা মাউযু অর্থাৎ ভিত্তিহীন হাদীস না হয়। আর রইলো বাকি হুকুম বা আহকাম সম্পর্কিত বিষয়বস্তু যেমন : হালাল ,হারাম , ক্রয়-বিক্রয় , বিবাহ , তালাক্ব ইত্যাদি প্রমাণ করার জন্য অথবা তার প্রতি আমল করার জন্য সহীহ হাদীস অথবা কমপক্ষে হাসান হাদীস আবশ্যক ও প্রয়োজন (আল-আযকার , পৃষ্ঠা- ) তৃতীয় অভিমত : জগৎ বিখ্যাত ক্বুরআন ও হাদীসের ব্যাখ্যা কারী হাফিযুল হাদীস আল্লামা জালালুদ্দিন সূয়ুতি শাফিঈ -এর তদীয় প্রসিদ্ধ গ্রন্থ তাদরীবুর রবীর মধ্যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীসের হুকুম বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন : و(وَيَجُوزُ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَغَيْرِهِمُ التَّسَاهُلُ فِي الْأَسَانِيدِ) الضَّعِيفَةِ (وَرِوَايَةُ مَا سِوَى الْمَوْضُوعِ مِنَ الضَّعِيفِ وَالْعَمَلُ بِهِ مِنْ غَيْرِ بَيَانِ ضَعْفِهِ فِي غَيْرِ صِفَاتِ اللَّهِ تَعَالَى) ، وَمَا يَجُوزُ وَيَسْتَحِيلُ عَلَيْهِ، وَتَفْسِيرُ كَلَامِهِ، (وَالْأَحْكَامِ كَالْحَلَالِ وَالْحَرَامِ، وَ) غَيْرِهِمَا، وَذَلِكَ كَالْقَصَصِ وَفَضَائِلِ الْأَعْمَالِ وَالْمَوَاعِظِ، وَغَيْرِهَا (مِمَّا لَا تَعَلُّقَ لَهُ بِالْعَقَائِدِ وَالْأَحْكَامِ) . وَمَنْ نُقِلَ عَنْهُ ذَلِكَ: ابْنُ حَنْبَلٍ، وَابْنُ مَهْدِيٍّ، وَابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالُوا: إِذَا رُوِّينَا فِي الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ شَدَّدْنَا، وَإِذَا رُوِّينَا فِي الْفَضَائِلِ وَنَحْوِهَا تَسَاهَلْنَا ۔ অর্থ : মুহাদ্দিস ও অন্যান্য ওলামাদের বক্তব্য হলো দূর্বল সনদ সম্পর্কে কিছু ছাড় দেওয়া জায়েজ রয়েছে যদি তা মাউযু বা বানোয়াট না হয়, সুতরাং তা ফাযায়েল আমল এবং অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে আমল করা বৈধ আছে। যদি তা আহকাম ও আকায়েদের সাথে সম্পর্ক না হয়, যে ইমামগণ এ মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল , ইমাম ইবনে মাহদী , ইমাম ইবনুল মোবারক رحمهم الله সংযুক্ত আছেন… তাঁরা বলেন যে, আমরা হালাল ও হারামের মধ্যে হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে কঠিন কঠোরতা অবলম্বন করেছি এবং ফাযায়েল মর্যাদা বর্ণনার ক্ষেত্রে নম্রতা অবলম্বন করেছি । (তাদরিবুর রবী , প্রথম খণ্ড , পৃষ্ঠা নং- 350ও 351, শামিলা) চতুর্থ অভিমত : যুগের শ্রেষ্ঠতম মুহাদ্দিস ও মুজাদ্দিদ আল্লাহ্ মুল্লা আলী ক্বারী মাক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহির রচিত একাধিক গ্রন্থে একাধিক রকম ভাবে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে একই কথা বলছেন যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস মর্যাদা ও উৎসাহ সাপেক্ষে প্রযোজ্য ও গ্রহণযোগ্য । খুলে দেখুন মিরকাতুল মাফাতিহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ , আল-মাউযুআতুল কুবরা ইত্যাদি কিতাবসমূহ। তিনি তাঁর প্রসিদ্ধ হাদীসের ব্যাখ্যা গ্রন্থ মিরক্বাতের মধ্য একটি সূত্র গত দূর্বল হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন لَكِنْ يَعْمَلُ بِالْحَدِيثِ الضَّعِيفِ فِي فَضَائِلِ الْأَعْمَالِ بِاتِّفَاقِ الْعُلَمَاءِ অর্থ : সমস্ত ওলামায়ে কেরাম ঐকমত পোষণ করেছেন যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস ফযীলতপূর্ণ আমল এর ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও প্রযোজ্য ॥ (মিরক্বাত খন্ড-3, পৃষ্ঠা নং-1299 , হাদীস নং-1299 -এর ব্যাখ্যায়) ঠিক তেমনি তিনি আল-মাউযুআতুল কুবরা গ্রন্থের মধ্যেও عن موسى بن طلحة قال : مَنْ مَسَحَ قَفَاهُ مَعَ رَأْسِهِ وقَي من الغل উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন : والضعيف يعمل به في فضائل الأعمال اتفاقاً، ولذا قال أئمتنا: إن مسح الرقبة مستحب أو سنة অর্থ : দূর্বল হাদীস ফাযায়েলে আমলের মধ্যে আমল করার ব্যাপারে ইমামগণের ঐকমত রয়েছে ,এই জন্য আমাদের ইমামগণ বলেছেন গর্দান মাসাহ করা মুস্তাহাব অথবা সুন্নাত । ( নোট : উক্ত অভিমত গুলি তিনি তার কিতাবাদীর মধ্যে ডজনেরও অধিক জায়গায় নিয়ে এসেছেন জায়গা সংকুচিত হওয়ার কারণে সবগুলি তুলে ধরা অসম্ভব) পঞ্চম অভিমত : এ উপমহাদেশে বিশেষ করে ভারতবর্ষে সর্ব প্রথম ইলমে হাদীস প্রচারক ও প্রসারক ,মুজাদ্দিদে আলফেসানীর মতানুযায়ী ভারতবর্ষের সর্বপ্রথম হাদীসের বীজ বপণ কারী "শায়খ আবদুল হক্ব মুহাদ্দিসে দেহলভী رحمه الله" মোকদ্দমায়ে মিশকাত অর্থাৎ মিশকাতের ভূমিকায় ইরশাদ করেন যে ما إشتهر أن الحديث الضعيف معتبر فى الفضائل الأعمال لا فى غيرها المراد مفرداته لا مجموعها لأنه داخل في الحسن لا فى الضعيف. অর্থ : এই কথাটি যে প্রসিদ্ধ রয়েছে যে যঈফ হাদীস ফাযায়েলে আমলের জন্য গ্রহণযোগ্য, তা ব্যতিত অন্য বিষয়ের জন্য নয়, এই কথার সঠিক মর্ম হচ্ছে এই যে ,তা বর্ণনা যদি একক হয় ,একাধিক সূত্রে যে হাদীস বর্ণিত তা হাসানের অন্তর্ভূক্ত, তা তখন দ্বঈফ (দুর্বল হাদীসের) অন্তর্ভূক্ত নয়। (আল- মোকাদ্দামা , পৃষ্ঠা নং- 117 ও 118 , আল-মাকতাবাতুল মদীনা) ষষ্ঠ ও শেষ অভিমত : বিশ্ববিখ্যাত হাদীসবিদ ও হাদীস ব্যাখ্যা কারী ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সানআনি তদীয় প্রসিদ্ধ হাদীস ব্যাখ্যা গ্রন্থ “আত-তানভীর শারহে আল-জামিউস সাগীর” -এর মধ্যে ভূমিকায় হাদীসের রীতি নীতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন ثم إن المقصد من الجامع الصغير أن ينفع الخطباء والوعاظ والفقهاء، ومعلوم عند المحدثين أن الاستدلال بالحديث الضعيف -في فضائل الأعمال অর্থ : আল-জামিউস সাগীর প্রণয়নের উদ্দেশ্যে হলো এই যে বক্তা , ইসলামীক স্পীচার ও ফিকাহ্ শাস্ত্রবিদরা যাতে তা থেকে উপকৃত হতে পারেন । এবং বোঝা দরকার যে মুহাদ্দিসগণের নিকট যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস ফাযায়েলে আমালের জন্য দলিলযোগ্য। মুহাদ্দিসীনে কেরাম গণের উক্ত অভিমত গুলির দ্বারা সূর্যের দিবালোকের ন্যায় সুষ্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত হয় যে যঈফ অথবা দূর্বল হাদীস যেটি কোন মতেই মউযু , ভিত্তিহীন ,জাল হতে পারে না , ফাযায়েল অর্থাৎ মর্যাদায় ,উৎসাহে ও অনুৎসাহে এবং বৃত্তান্ত ও ঘটনা সমূহে প্রযোজ্য ও গ্রহনযোগ্য এবং তার প্রতি আমল করা মুস্তাহাব ও মুস্তাহাসান ॥ তাছাড়াও একটি দূর্বল হাদীস যদি দুই বা দুইয়ের অধিক সূত্রে বর্ণিত হয় তখন সেই হাদীসটির হুকুম আর দূর্বল থাকেনা বরং সেটি সহীহ লি-গাইরিহি অথবা হাসান লি-গাইরিহির স্তরে পৌঁছে যায় যা হুকুম বা আহকামের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও প্রযোজ্য ।(তাইসিরু মুস্তাহাহিল হাদীস) পাঠকদের কাছেই বিচারের সিদ্ধান্ত অর্পন করা হলো, আপনারা কাকে মানবেন? কাদের অভিমত পোষন করবেন ? দুধ বিক্রেতা আলবানী সহ নামধারী ঘোমটাধারী আহলে হাদীসদের না ইমাম নববী ( رحمة الله عليه) সহ পৃথিবী বিখ্যাত ইমামদের !

Comments -

AayeshaPosted On: 2024-06-14
Jazaakallahu khaira
Kaneez FatimaPosted On: 2024-06-14
খুব সুন্দর লেখনী, এই ধরনের লেখা বেশি বেশি মানুষের অংশগ্রহণের প্রচার ও প্রসার করলে বিভ্রান্তি দূরীভূত হবে।
Most Read Articles