KeyOfIslam
Welcome To KeyOfIslam.com. KeyOfIslam is the platform to spread love and brotherhood among all people through the light of Prophet Mohammad(peace be upon him), the Final Messanger of Allah. Here you will get informations with precision.
Individual Articles
হজ্জের ফজিলত ও তার গুরুত্ব
হজ্জের ফজিলত ও তার গুরুত্ব (ক্বোরআন ও হাদীসের আলোকে) (পর্ব-১) মুফতী শামসুদ্দোহা মিসবাহী ফলতা, দঃ২৪পরগনা, পঃবঃ মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের উপর যে সমস্ত এবাদত ফরজ করেছেন তার মধ্যে হজ্জ অন্যতম ও শ্রেষ্ঠতম একটি এবাদত, যা ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ও দৈহিক ও আধ্যিক উভয়ের সম্মিলিত একটি ইবাদত। তাই উভয় দিক থেকে সামর্থবান মুসলমান ব্যক্তির উপরে হজ্জ পালন করা ফরজ করা হয়েছে অর্থাৎ হজ আদায়ে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি হজ্জের সমস্ত খরচ ও হজ্জ আদায় কালীন সংসারের খরচ বহনকারী সক্ষম ও সামর্থবান এমন ব্যক্তির উপরই জীবনে একবার হজ আদায় করা ফরজ । এটি একটি ফরজ ইবাদত যা নয় হিজরীতে ফরজ করা হয়েছে তার ফরজ হওয়ার অস্বীকারকারী ইসলাম থেকে বহির্ভূত হয়ে যাবে। হজ্জের শাব্দিক ও ইসলামিক অর্থ:- হজ্জ একটি আরবি শব্দ। এর শাব্দিক ও আভিধানিক অর্থ হলো সংকল্প করা বা এরাদা করা। যেমন- তারিফাত নামক কিতাবে লিপিবদ্ধ করা আছে- الحج القصد الى الشيء العظيم وفي الشرع قصد لبيت الله تعالى بصفه مخصوصه وفي وقت مخصوص بشرائط مخصوصة অর্থাৎ:- কোন সম্মানীয় অথবা বড় জিনিসের উদ্দেশ্য ও এরাদা করাকে হজ্জ বলা হয়। এবং ইসলামের পরিভাষায় নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট কার্যবালীর ও শর্তাবলীর মাধ্যমে বাইতুল্লাহ শরীফ জিয়ারত করাকে হজ্জ বলা হয়। (তারিফা'ত বাবুল হাজ্জ) পবিত্র ক্বোরআন ও হাদীসে হজ্জের অপরিসীম গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। তম্মধ্যে কিছু আলোচনা করা হলো। কোরআনের আলোকে হজের গুরুত্ব وَلِلَّهِ عَلَى ٱلنَّاسِ حِجُّ ٱلۡبَیۡتِ مَنِ ٱسۡتَطَاعَ إِلَیۡهِ سَبِیلࣰاۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَنِیٌّ عَنِ ٱلۡعَـٰلَمِینَ . অনুবাদ:- আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাবার সামর্থ্য রয়েছে তার জন্যে আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে এ গৃহের হজ্জ করা আবশ্যক। আর যে (এর) অস্বীকারকারী, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সমগ্র বিশ্ব জগতেরই অমুখাপেক্ষী। (সূরা আল-ইমরান, আয়াত ৯৭) অপর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন: وَأَتِمُّوا۟ ٱلۡحَجَّ وَٱلۡعُمۡرَةَ لِلَّهِۚ অনুবাদ:- আর আল্লাহ্‌র জন্যে হজ্জ ও ওমরাহ্ (-এর বিধিবিধান) পূর্ণ করো।(সূরা বাক্বারাহ আয়াত ১৯৬) উক্ত আয়াত দ্বারা পবিত্র ইসলাম ধর্মে হজ্জের গুরুত্ব বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। হাদীসের আলোকে হজ্জের গুরুত্ব ও ফযীলত হজ্জের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি পেশ করা হলো। عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بُنِىَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالْحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ অনুবাদ:- ইবনে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন, ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি। ১. আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল-এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা। ২. নামাজ কায়েম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. হাজ্জ সম্পাদন করা এবং ৫. রমযানের রোজা রাখা (সহীহ বুখারী হাদীস নং ৮) عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ فَرَضَ اللهُ عَلَيْكُمُ الْحَجَّ فَحُجُّوا، فَقَالَ رَجُلٌ أَكُلَّ عَامٍ يَا رَسُولَ اللهِ؟ فَسَكَتَ حَتَّى قَالَهَا ثَلاَثًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ قُلْتُ نَعَمْ لَوَجَبَتْ وَلَمَا اسْتَطَعْتُمْ، ثُمَّ قَالَ : ذَرُونِى مَا تَرَكْتُكُمْ فَإِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِكَثْرَةِ سُؤَالِهِمْ وَاخْتِلاَفِهِمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ، فَإِذَا أَمَرْتُكُمْ بِشَىْءٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ وَإِذَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ شَىْءٍ فَدَعُوهُ- অনুবাদ:- আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে খোতবা দিলেন এবং বললেন, ‘হে জনগণ! তোমাদের উপর হজ্জ ফরয করা হয়েছে। অতএব তোমরা হজ্জ সম্পাদন কর। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! তা কি প্রতি বছর? তিনি নীরব থাকলেন এবং সে তিনবার কথাটি বলল। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি হ্যাঁ বললে তা ওয়াজিব হয়ে যাবে (প্রতি বছরের জন্য) অথচ তোমরা তা পালন করতে সক্ষম হবে না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা আমাকে ততটুকু কথার উপর থাকতে দাও যতটুকু আমি তোমাদের জন্য বলি। কারণ তোমাদের পুর্বেকার লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্নের কারণে এবং তাদের নবীদের সাথে বিরোধিতার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অতএব আমি তোমাদের যখন কোন কিছু করার নির্দেশ দেই, তোমরা তা যথাসাধ্য পালন কর এবং যখন তোমাদের কোন কিছু করতে নিষেধ করি তখন তা পরিত্যাগ কর । (সহীহ মুসলিম হাদীস নং ১৩৩৭) অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হজ عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رضى الله عنه قَالَ سُئِلَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ : إِيْمَانٌ بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ. قِيْلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ: جِهَادٌ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ. قِيْلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ : حَجٌّ مَبْرُوْرٌ- অনুবাদ :- আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ‘শ্রেষ্ঠ আমল হ’ল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপরে ঈমান আনা। বলা হ’ল, তারপর কি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। জিজ্ঞেস করা হ’ল, তারপর কি? তিনি বললেন, কবুল হজ্জ। (সহীহ বুখারী হাদীস নং ২৬ ) হজ পালনকারী নবজাতকের ন্যায় গুনাহ হতে মুক্ত হয়ে যায়। عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رضى الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ حَجَّ لِلَّهِ، فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ- অনুবাদ:- আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করেছে। যার মধ্যে সে অশ্লীল কথা বলেনি বা অশ্লীল কার্য করেনি, সে হজ্জ হ’তে ফিরবে সেদিনের ন্যায় (নিষ্পাপ অবস্থায়) যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিলেন’। (সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৫২১) হজ্জ দরিদ্রতা ও গোনাহ সমূহ বিদূরিত করে عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: تَابِعُوْا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الْفَقْرَ وَالذُّنُوْبَ كَمَا يَنْفِى الْكِيْرُ خَبَثَ الْحَدِيْدِ وَالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ الْمَبْرُوْرَةِ ثَوَابٌ إِلاَّ الجنة অনুবাদ:- আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তোমরা হজ্জ ও ওমরাহর মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখো (অর্থাৎ সাথে সাথে কর)। কেননা এ দু’টি মুমিনের দরিদ্রতা ও গোনাহ সমূহ দূর করে দেয়, যেমন (কামারের আগুনের) হাপর লোহা, স্বর্ণ ও রৌপ্যের ময়লা দূর করে দেয়। আর কবুল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ব্যতীত কিছুই নয়’। (তিরমিযী শরীফ হাদীস নং ৮১০) হাজীগন আল্লাহর মেহমান عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : وَفْدُ اللهِ ثَلَاثَةٌ: الْغَازِيْ، وَالْحَاجُّ، وَالْمُعْتَمِرُ- অনুবাদ:- আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহর মেহমান হ’ল তিনটি দল- আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধকারী, হজ্জকারী ও ওমরাহ্কারী’। (নাসাঈ শরীফ হাদীস নং ২৬২৫) হজে মৃত্যুবরণ কারী কেয়ামতের দিবসে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উঠবে عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضى الله عنهما قَالَ بَيْنَمَا رَجُلٌ وَاقِفٌ مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَةَ، إِذْ وَقَعَ مِنْ رَاحِلَتِهِ فَأَقْصَعَتْهُ أَوْ قَالَ فَأَقْعَصَتْهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: اغْسِلُوْهُ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ، وَكَفِّنُوهُ فِىْ ثَوْبَيْنِ، وَلاَ تُحَنِّطُوْهُ وَلاَ تُخَمِّرُوْا رَأْسَهُ، فَإِنَّ اللهَ يَبْعَثُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مُلَبِّيًا- অনুবাদ:- ইবনু আববাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে আরাফাতে অবস্থান কালে অকস্মাৎ সে তার সওয়ারী হ’তে পড়ে যান। এতে তাঁর ঘাড় মটকে গেল অথবা রাবী বলেন, ঘাড় মটকে দিল। (যাতে তিনি মারা গেলেন)। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাঁকে বরই পাতাসহ পানি দিয়ে গোসল দাও এবং দু’কাপড়ে তাঁকে কাফন দাও; তাঁকে সুগন্ধি লাগাবে না এবং তার মস্তক আবৃত করবে না। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন তাঁকে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উত্থিত করবেন’। (বুখারী শরীফ হাদীস নং ১২৬৬) হাজরে আসওয়াদ ওরকমই ইয়ামানি স্পর্শ করার ফযীলত عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ مَسْحَ الْحَجَرِ الْأَسْوَدِ، وَالرُّكْنِ الْيَمَانِيِّ يَحُطَّانِ الْخَطَايَا حَطًّا- অনুবাদ:- ইবনু ওমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রুক্নে ইয়ামানী ও হাজারে আসওয়াদ (কালো পাথর) স্পর্শ করবে, এ দু’টি তার সমস্ত গোনাহ ঝরিয়ে দিবে। ( মু'জামুল কাবীর, হাদীস নং ১৩৪৩৮) যমযমের পানি পান করার ফযীলত যমযমের পানি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: خَيْرُ مَاءٍ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ مَاءُ زَمْزَمَ، وَفِيهِ طَعَامٌ مِنَ الطُّعْمِ، وَشِفَاءٌ مِنَ السُّقْمِ- অনুবাদ:- ভূপৃষ্ঠে সেরা পানি হ’ল যমযমের পানি। এর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিকর খাদ্য এবং রোগ মুক্তি। (মু'জামুল আওসাত্ব হাদীস নং ৩৯১২) উক্ত হাদিস সমূহ দ্বারা পবিত্র হজের গুরুত্ব ও ফজিলত সূর্যের কিরণের ন্যায় প্রকাশ পায়। হজ্জ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল ও প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে আগামী মাসে দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করা হবে, ইনশাআল্লাহ তাআলা।

Comments -

Most Read Articles